মৌমাছি, মৌমাছি কোথা যাও নাচি নাচি, দাঁড়াও না একবার ভাই।’ কবিতার এই কথাগুলো নিয়ে যদি বলা হয় একবার দাঁড়িয়ে মৌমাছি ক্যানসারের জীবাণু শণাক্ত করতে পারে, তবে তা বিশ্বাসযোগ্য হবে? নতুন গবেষণা কিন্তু সেটাই বলছে। মৌমাছির ঘ্রাণশক্তি প্রবল। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের শ্বাস–প্রশ্বাস শুঁকে ফুসফুসের ক্যানসারের জীবাণু শনাক্ত করতে পারে মৌমাছি। গবেষণাগারে ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিশ্বাসে থাকা ক্ষীণ গন্ধও মৌমাছি শনাক্ত করতে পেরেছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির কয়েকজন বিজ্ঞানী। সম্প্রতি বায়োসেন্সর অ্যান্ড বায়োইলেকট্রনিকস জার্নালে মৌমাছির ঘ্রাণশক্তি বিষয়ে একটি গবেষণাপত্রও প্রকাশ করেছেন তাঁরা।
গবেষণা চলাকালে জীবন্ত মৌমাছির মস্তিষ্কে ইলেকট্রোড যুক্ত করে পর্যবেক্ষণ করা হয়। এরপর মৌমাছির আশপাশে বিভিন্ন বস্তুর ঘ্রাণ উন্মুক্ত করে মস্তিষ্কের সংকেত রেকর্ড করা হয়। এ বিষয়ে মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির স্নায়ু প্রকৌশলী দেবজিৎ সাহা বলেন, বিভিন্ন গন্ধ মৌমাছির মস্তিষ্ককে উদ্দীপিত করে। গন্ধ শনাক্তের জন্য মৌমাছি নিজের নিউরনে থাকা আলাদা কৌশল ব্যবহার করে থাকে। এর ফলে ভবিষ্যতে প্রাথমিকভাবে ক্যানসার শনাক্ত করার জন্য মৌমাছিকে জীবন্ত সেন্সর হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। বর্তমানে ইলেকট্রনিক নাক বা ই-নাকসহ বিভিন্ন ধরনের গন্ধ-সংবেদনশীল যন্ত্র তৈরি করা হচ্ছে। এসব যন্ত্রের চেয়ে মৌমাছির ঘ্রাণশক্তি বেশি শক্তিশালী। মৌমাছি যা করতে পারে, তা অন্য কোনো যন্ত্র করতে পারে না।
ফ্রান্সের ন্যাশনাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টের রাসায়নিক বিজ্ঞানী ফ্লোরা গউজের জানিয়েছেন, বিভিন্ন কীটপতঙ্গ ঘ্রাণের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করে থাকে। ঘ্রাণ তাদের জন্য ভাষা। অনেক পোকামাকড়েরও ঘ্রাণের মাধ্যমে রোগ শনাক্ত করার ক্ষমতা আছে। মৌমাছির ঘ্রাণশক্তি কাজে লাগিয়ে ক্যানসার শনাক্তের কৌশল খুঁজে পাওয়া যাবে।
মৌমাছির মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক সংকেত বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা দেখেছেন, প্রায় ৯৩ শতাংশ ক্ষেত্রেই মৌমাছি মানুষের নিশ্বাসের মধ্যে পার্থক্য করতে পারে। এর ফলে সুস্থ ব্যক্তি ও ক্যানসারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিশ্বাস আলাদাভাবে শনাক্ত করতে পারে মৌমাছির মস্তিষ্ক। মৌমাছি শুধু ক্যানসারের গন্ধ নয়, বাতাসে থাকা বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতিও শনাক্ত করতে পারে। আর তাই ভবিষ্যতে মৌমাছির মাধ্যমে ক্যানসারের জীবাণু সহজেই শনাক্ত করা যাবে বলে আশা করছেন বিজ্ঞানীরা। সূত্র: সায়েন্স ডট অর্গ
লাগামহীনভাবে কৃষিকাজে সার ও কীটনাশক ঔষধের প্রয়োগ, সেই সঙ্গে সবুজ বন ধ্বংস হওয়ার কারণে মৌমাছিদের সংখ্যা দিন দিন কমে আসছে। হারিয়ে যাচ্ছে বহু জাতের মৌমাছি। যদি এভাবে চলতে থাকে তাহলে একদিন হয়তো উপকারী এই পতঙ্গটিও হারিয়ে যাবে পরিবেশ থেকে। তাই আগেভাগেই আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে মৌমাছি রক্ষার জন্য।
Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries, but also the leap into electronic but also the leap into electronic.
Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries, but also the leap into electronic but also the leap into electronic.
06 minute read
06 minute read
Sports
Get the best speak market, news. December 9, 2024
Technology
Get the best speak market, news. December 9, 2024
Fashion
Get the best speak market, news. December 9, 2024
Life Style
Get the best speak market, news. December 9, 2024